
স্টাফ রিপোর্টার
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী শহীদ নাজিম উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম রফিককে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদ দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি নৌকার প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনুর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন। অভিযোগ রয়েছে, জুলাই আন্দোলনের সময়ও তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্যের প্রভাব খাটিয়ে মল্লিকবাড়ী শহীদ নাজিম উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে চাকরি নিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমানে চাকরি টিকিয়ে রাখতে তিনি নিজ এলাকার আওলাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য হওয়ার পর এবার পরিচালনা কমিটির সভাপতির পদও দখলের চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অন্যদিকে, একই পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম বিএনপি-সমর্থক পরিবারের সদস্য এবং একজন ভদ্র ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বলে স্থানীয়দের একটি অংশ দাবি করেছে।
এ বিষয়ে আওলাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন বলেন, “সভাপতি পদে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। একজন প্রভাষক রফিকুল ইসলাম রফিক এবং অপরজন খোরশেদ আলম, যিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। সভাপতি হিসেবে যেই নির্বাচিত হোন, আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান না হলে নির্বাচনের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হবে। ততদিন সবাইকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে প্রভাষক রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি তার বক্তব্যে বলেন আমি আওয়ামীলীগের কোন নির্বাচনে এমন দায়িত্ব পালন করিনি।



