
মোঃ কামাল উদ্দিন জেলা প্রতিনিধি জামালপুর
সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যা মামলায় জড়িত সকল আসামিকে অবিলম্বে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন করেছেন কর্মরত সাংবাদিকরা।
আজ শনিবার দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে জামালপুর প্রেসক্লাব। জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, বাবা আব্দুল করিম,
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, তার বাবা হাজী মো. আব্দুল করিম, সাংবাদিক বজলুর রহমান, সাজ্জাদ আনসারী, কাফি পারভেজ, আনোয়ার হোসেন মিন্টু, শওকত জামান, জুলফিকার জাহিদ হাবিব, মোজাহিদ বাবু, জাকারিয়া জাহাঙ্গীর, শরিফুল ইসলাম ঝুকন, জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দিলরুবা ইয়াসমিন রুমা সহ সাংবাদিক নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বকশিগঞ্জের সাধুরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর নির্দেশে তার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম ফয়সাল রিফাতের নেতৃত্বে সাংবাদিক নাদিমের ওপর হামলা চালিয় হত্যা করা হয়। তবে মামলার তদন্ত শেষে চার্জশিটে রিফাতসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আসামিকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। হত্যা মামলায় কোনো আসামি যেন তদন্তের বাইরে না থাকে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবী জানান।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বকশীগঞ্জের পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে তৎকালীন সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবু এবং তার ছেলে উপজেলা ছাত্র লীগের যুগ্ম আহবায়ক ফাহিম ফয়সাল রিফাতসহ ২২ জনের নামে এবং ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে।




