
মোঃ কামাল উদ্দিন জেলা প্রতিনিধি জামালপুর
জামালপুরের মাদারগঞ্জ পৌর এলাকার খাদ্য গুদামের পশ্চিম পাশে একটি ভাড়া ফ্লাট বাসায় অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের অভিযানে এক দালাল ও এক নারী পতিতাকে আটক করা হয়েছে।
পরে তাদের মাদারগঞ্জ মডেল থানায় এনে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সম্প্রতি সাবঃ রেজিস্ট্রার মরহুম বদিউজ্জামাল এর ছেলে আলহাজ্ব বাবলুর বাসায় সংঘবদ্ধ বেশ কয়েকজন ছেলে মেয়ে দ্বারা একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পরে স্হানীয়রা বিষয় টি টের পেয়ে সতর্ক বার্তা জানিয়ে দিয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় আবারও গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে উপজেলা রোড খাদ্য গুদামসংলগ্ন সেই ভাড়া ফ্লাটে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে স্হানীয় সূত্রে বহুল আলোচিত এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে দালাল আলামিন ও পতিতা শিরিনা কে আটক করা হয়। তবে টের পেয়ে এই ব্যবসার মূল হোতা রওশন আরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
আটককৃত দালাল আলামিন (৪২) উপজেলার ৫ নম্বর জোড়খালী ইউনিয়নের খিলকাটি মধ্যপাড়া ডাইভারসনসংলগ্ন মৃত ইদ্রিস মন্ডলের ছেলে। আর আটক নারী শিরিনা (২৯) আদারভিটা ইউনিয়নের কয়ড়া মধ্যপাড়া কারুলবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।
আলোচিত এই নারী শিরিনার বিরুদ্ধে এর আগেও অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এর আগে গত ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর জামালপুর থেকে মাদারগঞ্জগামী শ্যামগঞ্জ কালিবাড়ী সড়কে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভেতরে টাকার বিনিময়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট যুবকদের বিরুদ্ধে নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছিলেন শিরিনা। শুধু তাই নয়, মামলা করার পর বিষয়টি নিয়ে সংবাদকর্মী ডেকে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন তিনি, যা নিয়ে সে সময় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছিল।
এ বিষয় টি অনেকেরই অবগত রয়েছে।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্নেহাশিস রায় বলেন….. পলাতক মূল হোতা রওশন আরা কে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।




