
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য (মেম্বার পদে) প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে এলাকাবাসীর দোয়া,সমর্থন ও সহযোগিতা চেয়েছেন আব্দুস ছালাম।আব্দুস ছালাম করটিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাদারজানী গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনার পাশাপাশি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করে আসছেন তিনি।আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ করছেন। এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়ন,নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।মেম্বার প্রার্থী আব্দুস ছালাম বলেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করতে চাই। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে তাদের মতামত ও পরামর্শকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করব।তিনি বলেন,২ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, নাগরিক সেবা এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার উন্নয়নে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।আব্দুস ছালাম আরও বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে মানুষের সেবা করার সুযোগ পাওয়া। আমি মানুষের কাছ থেকে ভোটের পাশাপাশি তাদের ভালোবাসা, আস্থা ও দোয়া চাই। নির্বাচনে জয়-পরাজয় বড় বিষয় নয়, মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করাই আমার মূল লক্ষ্য।তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ডের সর্বস্তরের ভোটারদের কাছে দোয়া,সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন,আমি যদি আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখব ইনশাআল্লাহ।এদিকে আব্দুস ছালামের প্রার্থী হওয়ার আগ্রহকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে দেখা দিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনা। আগামী নির্বাচনে যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থী নির্বাচনের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা আরও গতিশীল হবে,এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয়রা।