
জামালপুরের মাদারগঞ্জে দুধে ভেজাল মেশানোর অভিযোগে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড ( মিল্কভিটা) কর্তৃপক্ষ এক অভিযান চালিয়ে মিল্কভিটা দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমিতির সভাপতির বাড়ি থেকে সন্দেহজনক জেলি ও দুধ জব্দ করেছে।
জানা যায়, জামালপুরের মাদারগঞ্জে বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড ( মিল্কভিটা) কর্তৃপক্ষ মাদারগঞ্জ পৌর এলাকার বালিজুড়ী ঘোষপাড়ার সাধন চন্দ্র ঘোষের বাসা থেকে দুধে মেশানোর সন্দেহজনক জেলি ও এক ট্যাঙ্কিতে থাকা সন্দেহজনক দুধ জব্দ করেছে।
এছাড়াও বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড মিল্কভিটায় সরবরাহ করতে দুধে ভেজাল মেশানো ব্যবহৃত একটি মোটর জব্দও করা হয়েছে।
জনস্রুতি রয়েছে,ভেজাল দুধ বিক্রি করে সাধন চন্দ্র ঘোষ কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
এ সময় দুধে ভেজাল মেশানোর কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরও জব্দ করা হয়।মঙ্গলবার সকালে মিল্কভিটার মাদারগঞ্জ উপজেলা অফিসের একটি দল উপজেলায় মিল্কভিটা দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমিতির সভাপতির বাড়িতে এই অভিযান চালায়।
মিল্কভিটা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সভাপতির বাড়ি থেকে দুধে মেশানোর সন্দেহজনক একটি জেলির প্যাকেট ও একটি ট্যাঙ্কিতে রাখা সন্দেহজনক দুধের নমুনা জব্দ করা হয়। একইসাথে দুধের সাথে অন্য কিছু মিশ্রিত করার কাজে ব্যবহৃত একটি বৈদ্যুতিক মোটরও জব্দ করা হয়েছে।অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া মিল্কভিটা দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় সমিতি লিঃ এর কর্তৃপক্ষ বলেন, "আমরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ পাচ্ছিলাম দুধে ভেজাল মেশানো হচ্ছে।
আজ সরেজমিনে অভিযান চালিয়ে প্রাথমিকভাবে সন্দেহজনক উপকরণ পেয়েছি। জব্দকৃত দুধ ও জেলির নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, "ভোক্তাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে মিল্কভিটা ভেজালের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।"এই ঘটনায় এলাকার দুধ উৎপাদনকারী কৃষক ও ভোক্তাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে মিল্কভিটার এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত সমিতির সভাপতির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করছেন আপামর জনসাধারণ।