
আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু,টাঙ্গাইলঃ
ঈদুল আজহার ছুটি শেষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। এতে যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। তবে বাড়তি চাপের মধ্যেও মহাসড়কে কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। অন্যদিকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
পুলিশ ও সড়ক-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির শেষভাগ থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৩৯২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪০০ টাকা।
সোমবার সকালে যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর, এলেঙ্গা, রাবনা ও নগরজালফৈ এলাকার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ রয়েছে। তবে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও মহাসড়কের কোথাও যানজট বা ধীরগতির পরিস্থিতি দেখা যায়নি।
কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া এলাকার রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকায় যাওয়ার জন্য প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বাসের অপেক্ষায় আছি। প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হচ্ছে। আবার ২৫০ টাকার ভাড়া ৫০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।”
গাবতলীগামী যাত্রী হেনা বেগম বলেন, “ঈদের আগে বাড়ি আসার সময়ও বাড়তি ভাড়া দিতে হয়েছে। এখন ঢাকায় ফেরার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ যেন শেষ হচ্ছে না।”
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সেতুর দুই প্রান্তে ৯টি করে মোট ১৮টি টোলবুথ চালু রাখা হয়েছে। মোটরসাইকেল পারাপারের জন্যও পৃথক বুথ রয়েছে। যানবাহনের চাপ থাকলেও সেতু এলাকায় কোনো যানজট নেই।




