
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের বাতার গ্রামের এক অসহায় নারীকে স্বামীর নির্যাতন ও ভরণপোষণ না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু আমিনুল ইসলামের কন্যা আন্জুয়ারা খাতুন (৩২) দীর্ঘদিন ইটভাটায় এক সঙ্গে কাজ করায় উভয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এবং একই গ্রামের মৃত্যু ছবের আলীর ছেলে আব্দুস ছালাম গোপনে বিয়ে করেন আন্জুয়ারাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল ছালামের আগের স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি দ্বিতীয়বার আন্জুয়ারা খাতুনকে বিভিন্ন প্রোলভণ দেখিয়ে বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে ভরণপোষণ না দিয়ে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আন্জুয়ারা খাতুন জানান, স্বামীর সংসারে তিনি চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার স্বামী ছালাম মিয়া প্রতিনিয়ত পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এরকম অবস্থায় জীবন চলতে থাকলে আমি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হব।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, আন্জুয়ারা একজন গরিব অসহায় পরিবারের মেয়ে অন্যের বাড়িতে তার একটি একচালা চাটাই ও পলিথিনের কাগজ দিয়া কোনরকম থাকার বাসস্থান ।
একটু বৃষ্টি পড়লেই ঘরের ভিতরে পানি জমে থাকে , তিনি একদিন অন্যের বাড়িতে কাজ না করলে অনাহারে থাকতে হয় ,দীর্ঘদিন ধরে ইট খোলায় দিনমজুর কাজ করেন , পাশাপাশি আব্দুস সালাম একই ইটভাটায় কাজ করেন,
আনজুকে বিভিন্ন ধরনের খারাপ প্রস্তাব ও বিবাহের কথা বললে তিনি বলেন তোমার ঘরে তো স্ত্রী সন্তান রয়েছে আমি তোমার কাছে বিয়ে বসতে রাজি না। এমতাবস্থায় লোকজনের মাধ্যমে বিভিন্ন লোভ লালসা দেখাইয়া দুইজন দুইজনকে বিবাহ করে।
বিবাহের দুই মাস পর ফেলে রেখে চলে যায় অসহায় আঞ্জুকে একটি অমানবিক ও সামাজিক ব্যাধি। একটি নারীর লালিত সম্পদ মানসিক ও আর্থিক নিরাপত্তাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয় প্রতারক আব্দুস সালাম।
তাই এ বিষয়ে আন্জুয়ারা সঠিক বিচার চেয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।