
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পেট্রোল উদ্ধারে বিএনপি নেতাকে সংবাদে জড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের দাঁতভাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগি বিএনপি নেতা আবু জাহান।
ভুক্তভোগি আবু জাহান রৌমারী উপজেলার ১নং দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা আবু জাহান অভিযোগ করে বলেন , আমি দীর্ঘ দিন থেকে বিএনপি"র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং সুন্দর ভাবে আমার ওয়ার্ডে নেতৃত্ব দিয়ে আসিতেছি। একটি কুচক্রীমহল আমার ও বিএনপির রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য বিভিন্ন প্রকার ষরযন্ত্র করে আসছে। আমার বড় ছেলে এরশাদুল হক ছোট একটি তেলের ব্যবসা করে। বাড়িতে থাকা তিনটি মোটর সাইকেলের জন্য ২০ লিটার তেল সংরক্ষণ করে রেখেছিল এরশাদুল। গত ২৭ মার্চ শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ করে আমার বাড়িতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট রাফিউর রহমান বাড়িতে আসে। কিন্তু এরশাদুল বাড়িতে না থাকলেও তেলগুলো জব্দ করে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন তিনি। আমার বড় ছেলে বাড়িতে অনুপস্থিতিতে সেই টাকা পরিশোধ করে আমার ছোট ছেলে হারুন অর রশিদ। অথচ আমার বড় ছেলে এরশাদুলের সঙ্গে আমি ও আমার পরিবারে কোনো সম্পর্ক নেই। সে আমাদের থেকে পৃথক খান। কিন্তু আমাকে জড়িয়ে ‘বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে ড্রাম ভর্তি মিলল পেট্রোল’ শিরোনামে কিছু পত্রিকায় সংবাদ প্রচার করে বিএনপি"র রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হয়েছে ও আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এনামুল হক বলেন, বিএনপি নেতাকে জড়িয়ে গত ২৭ মার্চ (শুক্রবার) পত্রিকায় যে প্রচারণা করা হয়েছে। তা সম্পন্ন বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। কারণ, তিনি বিএনপি নেতা আবু জাহান তেলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নয়। এটি একেবারেই মিথ্যা।
রৌমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা রাফিউর রহমান বলেন, বাড়িতে প্রেট্রোল মজুদ রাখার অপরাধে পেট্রোলিয়াম আইন ২০২৬ অনুয়াযী ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।